একটি প্রেমিক হৃদয়! Mrinmoy Chowdhury একটি প্রেমিক হৃদয় তোমাকে ছুঁতে চায়, তোমাকে অনুভবে চায়, যেন একটুখানি ভালোবাসা পায়। একটি প্রেমিক হৃদয় নিকোটিন নামক ক্যান্সারের- সাথে যুদ্ধ করে, গভীর রাতে- ঘুমের বড়ি সেবন করে নিকোটিনের হাতে ফুলের বাগান গড়ার চেষ্টা তোমাকে পাওয়ার কঠোর সাধনা সে বাগানে গোলাপ ফুল গাছ ছিল একটি গোলাপ ফুটে উঠেনি ওই বাগানে। বিষাদে ভরা ছিল এ মন কাশফুলেরা এখন ডাকছে কাছে; খুব কাছে ডাকছে-চন্দমল্লিকারা আমি বুঝি, ফুলের হাসি। একটি প্রেমিক হৃদয়! গোলাপের পাপড়িতে এক ফোঁটা কুয়াশা গড়িয়ে পড়লো শিশিরে ভেজা গোলাপটাও যেন বলছে; তুমি প্রেমে পড়েছ। হারিয়ে গিয়েছি তোমাতে শ্বাসরুদ্ধকর যন্ত্রণা হচ্ছে গভীর থেকে গভীর রাত ঘুমের বড়ি কাজ করতে চলেছে আর এভাবেই ধীরে ধীরে এবং আরো ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে 'একটি প্রেমিক হৃদয়।'
পোস্টগুলি
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
একটি হলুদ খামের চিঠি! Mrinmoy Chowdhury আধখাওয়া হাতের চায়ের কাপটা টেবিলে রাখলাম। সোনালী রঙের ফ্রেমে বাঁধা চশমাটা পরে নিলাম। টেবিলে রাখা একটি হলুদ খাম। আলমারীটা একটু নড়াচড়া করতেই পেলাম খামটা। টেবিলে রাখা ছিল সারাদিন। সময় রাত ১১টা। ঘরে আমার জীবদ্দশার মত মৃদু আলোর একটি ডিম লাইট জ্বলছিল। চিঠিটা অনেক বছর পুরোনো। অতন্দ্রীলা দিয়েছিল। কিন্তু শর্ত ছিল জীবনের শেষ মূহুর্তের আগে যেন এটা না খুলি, না পড়ি। এখন আমার জীবনের শেষ সময়। অতন্দ্রীলার ভালোবাসা এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছে আমাকে। কিন্তু অতন্দ্রীলা এখন আমাকে ডাকছে। এবার চিঠিটা পড়া যাক:- প্রিয়তম, আশা করি, তুমি আমাকে বুকে ধারণ করেই বেঁচে আছো। ভালোবাসা কি আমি জানতাম না। তোমার কাছ থেকেই শিখেছি ভালোবাসার অভিধান৷ আমি জানি তুমি আমাকে খুব গভীরভাবে ভালোবাসতে৷ আমার ভালোবাসারও কমতি ছিল না। রাতে তোমাকে ভেবেই ঘুমাতাম আর সকালে ঘুম ভাঙলেই তোমাকে মনে করতাম। বিশ্বাস কর, আমি আমার বাবাকে অনেক বুঝানোর পরও বাবা মেনে নিতে পারেনি তোমাকে। সমস্যা একটাই; তোমার বেকারত্ব। আমাকে জোরপূর্বক বিয়ে দিল লালনের সাথে। আমি তো তোমার হাতে সিঁদু...
গল্প
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
আজ মাধুরির বিয়ে... ... মৃণ্ময় এটা চৌধুরী সাহেবের বাড়ি না? আমি কোনো এক ভদ্র লোককে জিগ্যেস করলাম ভদ্রলোক বললো হ্যাঁ, এটাই চৌধুরীর বাড়ি। চৌধুরী বলতে খালেক চৌধুরী। তিনি আমার দূর সম্পর্কের মামা হন। মায়ের খালাতো ভাই। আজ চৌধুরী সাহেবের মেয়ে মাধুরীর গায়ে হলুদ রাত্রি। রাস্তার পাশেই ওনার বাড়ি। পুরো বাড়িজুড়ে জোনাকি বাতির সাঁঝে জমকালো অনুষ্ঠান হচ্ছে। সম্ভবত আমি আসতে দেরি করলাম। আস্সালামুয়ালাইকুম মামা ; সালাম দিয়ে পুরো বাড়িটা একনজরে দেখলাম। আমার পড়নে একটা হলুদ পাঞ্জাবী আর সাদা পায়জামা। অবশ্য আগে হলুদ পাঞ্জাবী তো দূরের কথা কোনো পাঞ্জাবী-ই পরতাম না আমি। সম্প্রতি একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় কথাশিল্পি হুমায়ুন আহমদ-এর হিমু সিরিজ পড়ে আমার মাথাটা গেলো। নাহ, হিমুর মত আমার মাথা ঘোলাটে কিংবা উদ্ভট না। তবে আমি মাঝে মধ্যে হিমুরূপী হয়ে সবাইকে হকচকিয়ে দিতে পছন্দ করি। হিমু রাতের বেলা খালি পায়ে হাঁটতে পছন্দ করে। আমিও রাতের বেলা হাঁটতে পছন্দ করলেও খালি পায়ে না। কারণ, খালি পায়ে হাঁটা যে বড়ই অসহনীয় তা আমি গত দুইদিনেই বুঝলাম। ...
গল্প
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
গল্প অবন্তিকার ভালোবাসা-২ মৃণ্ময় মনির শুভঙ্করের প্রতি অবন্তিকার আবেগ দিন দিন বাড়তেই লাগলো! অবন্তিকা ভাবে শুভঙ্করের সামনে গিয়ে দাড়াবে! এবার তাকে যে কোনোভাবেই তার মনের কথাটা খুলে বলবে। কিন্তু শুভঙ্করের কোনো খোঁজ নেই! কোথায় শুভঙ্কর? অবন্তিকা দিনে দিনে মানসিক সমস্যা পড়ছে.. হয়তো সে শুয়ে নিজে নিজে হাসছে.. ব্যাপারটা এমন হতে পারে যে, সে হয়তো ভাবছে শুভঙ্করের সাথে দোলনায় দোল খেতে খেতে চায়ের পেয়ালা হাতে নিয়ে দুজনে তাদের মনের আদান-প্রদাণ করছে। --শুভঙ্কর! --হুম,বলো। --তুমি কি আমাকে ভুলে যাবে? --হুম, ভুলে যাব। মানুষতো ভুলতে পছন্দ করে,তাই না? --তাহলে আমার কি হবে? --কি আর হবে? নতুন কাউকে পেয়ে ঠিকই সুখে থাকবে। --কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকেই চাইনা! তোমাকে কখনোই ভুলতে পারবো আমি শুভঙ্কর!! --আররেহ! একটা বেবী নিয়ে ফেলবা, তখন দেখবে সব ঠিকই আছে! এমনটা ভাবতে ভাবতে অবন্তিকা গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়..। বারবার তার এমনটা মনে হয় যে,এই যেন শুভঙ্কর তার সাথে কথা বলছে, তার সাথে দেখা দিচ্ছে! শুভঙ্কর!! আমি যে কতটা ভালোবেসে ফেলেছি তুমি কেনো বুঝনা?(জোরে চেঁচিয়ে কথাটা বললো অবন্...
গল্প
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
গল্প অবন্তিকার ভালোবাসা... মৃন্ময় মনির আইসোলেশনে আছি দুইদিন হলো।। গত শুক্রবার থেকেই সর্দি,গলাব্যাথা, জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিল আমার... রক্তের দরকার। রক্তের গ্রুপ ও-(O-Negative)। খুবই রেয়ার রক্ত। এই এন্টিবডি ফেলে হয়তো আমি মৃত্যুমুখ থেকে উঠে দাড়াতে পারি। আমার কাজিন শুভ ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিল রক্তের জন্য। হঠাৎ খবর পেলাম রক্তের ব্যবস্থা হলো... কোনো এক কলেজ পড়ুয়া মেয়ে আমায় রক্ত দিচ্ছে।ওর রক্ত ও-নেগেটিভ। সে দেখতে কেমন আমি ঠিক জানিনা। আমার সাথে দেখা হয়নি। কিন্তু তার জন্যেই আমি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসতে পেরেছি। হাসপাতালের দেওয়া ফাইল থেকে মেয়েটার নাম্বার পেলাম। কল দিলাম... আমিঃহ্যালো!! হ্যালো!! হ্যা!! ওপাশ থেকে কোনো কথাই আসছে না। আমিঃ হ্যালো আপনি কি অবন্তিকা? কথা বলছে না, তবে মনে হলো নিস্তব্ধে দীর্ঘশ্বাস ফেলছে। আবার ও কল দিলাম, আপনি অবন্তিকা কিনা সেটা বলুন, আর না হলে ওর কাছে ফোনটা দিন। রিপ্লাই আসলোঃ এখানে অবন্তিকা নামের কেউ থাকেনা। কোনো এক ভামাস্বর ছিল এটা। সাথে সাথে শুভকে গিয়ে বললাম, কিরে কিছুই বুঝিনা। মেয়েটার নাম নাম্বার কোথাও ভুল আছে ক...