গল্প
অবন্তিকার ভালোবাসা-২
মৃণ্ময় মনির
শুভঙ্করের প্রতি অবন্তিকার আবেগ দিন দিন বাড়তেই লাগলো!
অবন্তিকা ভাবে শুভঙ্করের সামনে গিয়ে দাড়াবে! এবার তাকে যে কোনোভাবেই তার মনের কথাটা খুলে বলবে।
কিন্তু শুভঙ্করের কোনো খোঁজ নেই!
কোথায় শুভঙ্কর?
অবন্তিকা দিনে দিনে মানসিক সমস্যা পড়ছে..
হয়তো সে শুয়ে নিজে নিজে হাসছে..
ব্যাপারটা এমন হতে পারে যে, সে হয়তো ভাবছে
শুভঙ্করের সাথে দোলনায় দোল খেতে খেতে চায়ের পেয়ালা হাতে নিয়ে দুজনে তাদের মনের আদান-প্রদাণ করছে।
--শুভঙ্কর!
--হুম,বলো।
--তুমি কি আমাকে ভুলে যাবে?
--হুম, ভুলে যাব। মানুষতো ভুলতে পছন্দ করে,তাই না?
--তাহলে আমার কি হবে?
--কি আর হবে? নতুন কাউকে পেয়ে ঠিকই সুখে থাকবে।
--কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকেই চাইনা! তোমাকে কখনোই ভুলতে পারবো আমি শুভঙ্কর!!
--আররেহ! একটা বেবী নিয়ে ফেলবা, তখন দেখবে সব ঠিকই আছে!
এমনটা ভাবতে ভাবতে অবন্তিকা গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়..।
বারবার তার এমনটা মনে হয় যে,এই যেন শুভঙ্কর তার সাথে কথা বলছে, তার সাথে দেখা দিচ্ছে!
শুভঙ্কর!! আমি যে কতটা ভালোবেসে ফেলেছি তুমি কেনো বুঝনা?(জোরে চেঁচিয়ে কথাটা বললো অবন্তিকা?
--কি হলোরে মা?(অবন্তিকার বাবা)
--অবন্তিকা ডুকরে ডুকরে কেঁদে বললো বাবা আমি ওকে ছাড়া বাঁচব না।
অবন্তিকার বাবা ভাবে অবন্তিকার মানসিক সমস্যা বেড়ে গেল!
অবন্তিকাকে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলো চিকিৎসার জন্য!
রাত ১০.৩০টা কি ১১ টা হবে!
শুভঙ্কর আসলো অবন্তিকার সাথে দেখা করতে!!
হয়তো শুভঙ্কর এটা বলবে যে, তোমাকে আমি খুব ভালোবাসি!
বলবে, আমি ভাবতে পারিনি তুমি আমাকে এতটা ভালোবাসবে!
নয়তো আবারো কিছু না বলে নিরবে হেঁটে চলে যাবে।
আর অবন্তিকার হাত বাঁড়িয়ে তাকে ডাকতে চাইবে;কিন্তু মুখ দিয়ে আর ডাকা হবেনা।
......মৃন্ময়.....
![]() |
| অবন্তিকার ভালোবাসা-২ |

মন্তব্যসমূহ