জীবনানন্দ একা হাঁটছেন। বিকেলের শেষ প্রহরে কমলা রঙের রোদ গায়ে মেখে হেঁটে চলছেন। ছোটো একটি বাজারের পাশেই নদী, চর,খাল, বিল, কয়েক পাল গরু ও মহিষ! কোথাও কোথাও আছে ছাগলের পাল। কৃষকশ্রেণীর লোকজন তাদের আপন কাজে ব্যস্ত। কেউ সর্ষে ক্ষেত, ভুট্টা ক্ষেত, কেউ আলু ক্ষেত, মরিচ ক্ষেত আবার কেউ ধান ক্ষেতে নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। বিলের মাঝে সরু একটা রাস্তা। জীবনানন্দ আনমনে হাঁটছেন নদীর পাড় হয়ে। স্নিগ্ধ বাতাসে মুখের উপর চুল পরছে। এই চুল হাত দিয়ে সরানো নিষেধ। সরাতে হলেও তা হতে হবে জোরে ফু দিয়ে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না৷ বাতাসের বেগে আবার কপাল বেয়ে চুল চলে আসছে। এ এক অদ্ভুত খেলা! হিমেল হাওয়ায় জীবনানন্দ দেখছেন নদীর জোয়ারে ধাক্কা খাচ্ছে পাড়। তিনি দেখছেন, নদীতে ডিঙি নৌকা ঢেউয়ের সাথে ঢেউ খেলাচ্ছে। জেলেদের মাছ ধরার বোটে কেমন করে সবাই দলবদ্ধ হয়ে জাল টানছেন। বিকেলের জরাজীর্ণ নদীতে লাজুক সূর্য হাসে। কদাকার প্লাস্টিক, খাল থেকে ভেসে আসা পঁচা কচুরিপানা, যান্ত্রিকযানের তৈলাক্ত জল দেখতে দেখতে সূর্য ডোবে; সন্ধে হয়ে নামে!
পোস্টগুলি
ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে